যৌনক্রিয়া ক্ষমতাকে উন্নিত করতে কেজেল
ব্যায়াম
কেজেল ব্যায়াম যৌনমিলনের সময় লিঙ্গ
উত্থানে সমস্যা, অকাল বীর্যপাত, দ্রুত
বীর্যপাতের মত সমস্যারও সমাধানের এক
অসাধারণ ব্যায়াম।
কিভাবে কেজেল ব্যায়াম করবেন
পেলভিস ফ্লোর মাসল অর্থাত শ্রোণী মেঝের
পেশী খুঁজে বার করা এবং সেটা কিভাবে সংকুচন/
প্রসারন করবেন- সেটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও
অসম্ভব কিছু নয়।
১. সঠিক পেশী খুঁজে নিন
পেটে বায়ু জমলে সেটা বের হয়ে যাওয়া রোধ
করতে গেলে বা প্রস্রাব করা কালে হঠাত প্রস্রাব
বন্ধ করে দিলে পেটের নিম্ন ভাগে পিছনের
দিকে যে পেশীগুলো আঁটসাঁট হয়ে যায় সেগুলোই
পেলভিস ফ্লোর মাসল অর্থাত শ্রোণী মেঝের
পেশী। আয়নায় দেখলে দেখবেন লিঙ্গ
কিছুটা তলপেটের
কাছাকাছি চলে আসে এবং অণ্ডথলি উপরের
দিকে উঠে আসে।
২. পন্থা/পদ্ধতি/ টেকনিক সঠিককরণ
ব্যায়ামের আগে ঠিকমতো প্রস্রাব করে নেবেন।
প্রথম দিকে উচিত হবে মেঝেতে শুয়ে এই ব্যায়াম
করা। মেঝেতে শুয়ে পেলভিস ফ্লোর মাসল ৩
সেকেণ্ড সংকুচন করে রাখুন, তারপর ৩ সেকেণ্ড
প্রসারণ করে রাখুন। এভাবে টানা কয়েকবার
করবেন। তবে খুব বেশী না। মাসল
ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে শুরু করলে বসে,
দাঁড়িয়ে বা চলন্ত অবস্থায়ও করতে পারবেন।
৩. মনোযোগ বজায় রাখুন
ভালো ফলাফলের জন্য যখন সংকুচন করবেন তখন
গভীর ভাবে মনোযোগ দিয়ে করবেন। অনেকেই ভুল
করে পেটের বা তলপেটের, উরু, এবং নিতম্বের
পেশী সংকুচন করে ফেলেন। এটা ঠিক নয়। দম বন্ধ
বা ধরে রাখবেন না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক
রাখুন।
৪. কতবার করবেন
প্রত্যহ ৩ টা সময় (যেমন সকালে দুপুরে বিকেলে)
চেষ্টা করবেন। প্রতিবার ১০ রেপস্-এর
(repetitions) ৩ সেট করবেন।
(৩ সেকেণ্ড সংকুচন + ৩ সেকেণ্ড প্রসারণ = ১
রেপ। ১০ রেপ = ১ সেট)
মাঝে মাঝে অন্য কাজের সময় (যেমন দাঁত মাজা)
এটা প্রাকটিস করে নিতে পারেন। তলপেটে চাপ
পড়ে এমন কিছু কাজকর্মের সময়ও (যেমন হাঁচি,
কাশি, হাসা, ভারী বস্তু উত্তোলন) আপনার
পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকুচন হতে পারে।
এছাড়া যৌনমিলনের সময় পেলভিস ফ্লোর মাসল
সংকুচন করে লিঙ্গ আরো অধিকক্ষণ উত্থিত
রাখতে পারেন বা অকাল বীর্যপাত রোধ
করতে পারেন।
সুস্থতার অভিজাত মুখপাত্র .::দেহ::. জীবনের
ঠিকানা।
No comments:
Post a Comment